ধূমপান: ধূমপানের ভয়াবহতা ও করনীয় - শিমুল হোসেন শূন্য
পর্ব-২ আমাদের বাংলাদেশে প্রচলিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ এর ৪ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে ধূমপানের ফলে জরিমানা হিসেবে অনধিক তিন শত টাকা এবং পরবর্তী প্রতিবারের জন্য দ্বিগুন টাকা দিতে হবে। এছাড়া ১০ধারা অনুযায়ী সিগারেট, বিড়ি ইত্যাদি তামাকজাতীয় দ্রব্যের মোড়কে 'ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর' বা 'ধূমপান হৃদরোগের কারণ' লেখা বাধ্যতামূলক। তবে সত্যি বলতে প্যাকেটের গায়ে তা লেখা থাকলেও ধূমপায়ীর শাস্তি স্বরূপ জরিমানা আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে। উক্ত আইনটি আরো কঠোর করে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। দেশে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদন বন্ধ ও বিদেশ হতে আমদানী নিষিদ্ধ করতে হবে। এর পাশাপাশি ধূমপান রোধে সব থেকে বড় অবদান রাখতে পারে সামাজিক সচেতনতা এবং ধূমপায়ী ব্যক্তির প্রবল ইচ্ছাশক্তি। ব্যক্তি, পরিবার, মহল্লা, ইউনিয়ন, জেলা থেকে শুরু করে ধূমপানের কুফল সম্পর্কে সচেতন হয়ে সমগ্র রাষ্ট্র থেকে ধূমপান রোধ করা সম্ভব। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধূমপান নিষেধসহ এই সমস্ত স্থাপনা এলাকার দোকানপাটে বিড়ি সিগার...